The Old World by Mostaque Ahamed

সায়েন্স ফিকশন শাখায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন কথাসাহিত্যিক মোশতাক আহমেদ। তাঁর নতুন সায়েন্স ফিকশন 'দি ওল্ড ওয়ার্ল্ড'। ২৫% ছাড়ে প্রি অর্ডার করে বুঝে নিন লেখকের অটোগ্রাফ।

প্রি অর্ডার করতে ক্লিক করুন👉🏻 https://rkmri.co/eIEoleN2MN5I/
রিডিলিন নামের ভয়ংকর এক অজানা প্রাণী আক্রমণ করেছে পৃথিবীকে। পিঁপড়ার মতো আকারের এই প্রাণীগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে পৃথিবীর সকল ধাতব জিনিসকে। মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, গাড়ি, বাড়ি, বিমান, ইলেকট্রিক খুঁটি, সমরাস্ত্রসহ যত ধাতব জিনিস আছে সবকিছুকে অকার্যকর করে দেয়াই যেন রিডিলিনের কাজ। ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কলকারখানা, ব্যহত হচ্ছে কৃষি উৎপাদন, ভেঙ্গে পড়ছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। এতে এক মহাবিপর্যয় নেমে এসেছে পৃথিবীতে। আর এই মহাবিপর্যয়ের নাম দেয়া হয়েছে ’রিডিলিন মহাবিপর্যয়’।
বাংলাদেশি ছাত্র নাফিন পড়তে গিয়েছিল ইংল্যান্ডে। সেখানে পরিচয় হয় আর এক বাংলাদেশি ছাত্রী নাইশার সাথে। তাদের ভালোবাসা অগ্রযাত্রার পথে সবকিছু তছনছ করে দিতে থাকে রিডিলিন মহাবিপর্যয়। চরম খাদ্যাভাব আর জাতিগত দাঙ্গা শুরু হওয়ার কারণে হতবিহ্ববল সরকার সিদ্ধান্ত নেয় বিদেশি কাউকে অবস্থান করতে দেবে না ইংল্যান্ডে। তাই দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় নাফিন আর নাইশা। কিন্তু এরই মধ্যে সকল ফ্লাইট বাতিল হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে জাহাজ কিংবা বাস চলাচল।
তাই ঘোড়ায় চড়ে আর পায়ে হেঁটে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় নাফিন। তাকে ফিরে আসতেই হবে। কারণ সে তার মায়ের একমাত্র সন্তান এবং তার মা তার জন্য অপেক্ষা করে আছে। নাফিন আর নাইশার সঙ্গী হয় আফগানিস্তানের আবদুল্লাহ, তার স্ত্রী আলিয়া, পাকিস্তানের খানভাই আর তুরস্কের তাবিব, ইশরা আর সাত বছরের ছোট্ট মেয়ে তাবিশরা। যাত্রা শুরুর পরই তারা বুঝতে পারে গন্তব্যে পৌঁছান কতটা দুঃসাধ্য? কারণ তারা যে আর আধুনিক পৃথিবীতে নেই, অবস্থান করছে আদিম পৃথিবীতে যেখানে রিডিলিনের ভয়ে ধাতুর তৈরি সামান্য একটা ছুরিও সাথে রাখা যায় না!
শেষ পর্যন্ত কি নাফিন আর নাইশা ফিরতে পেরেছিল বাংলাদেশে? আর কি পরিসমাপ্তি ঘটেছিল রিডিলিন মহাবিপর্যয়ের? নাকি রিডিলিনই দখল করে নিয়েছিল সম্পূর্ণ পৃথিবীকে?
দি ওল্ড ওয়ার্ল্ড (হার্ডকভার)
by মোশতাক আহমেদ

Post a Comment

Previous Post Next Post